রাত ৮:৫৫,   মঙ্গলবার,   ২৩শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং,   ১০ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ,   ১৭ই শাবান, ১৪৪০ হিজরী
 

আশা করছি এবার পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক:
আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। সোমবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, নকলমুক্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় এবার প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না বলে আশা করছি।

তিনি আরো বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস-সংক্রান্ত গুজব কিংবা এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ নজরদারি জোরদার করবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

ড. দীপু মনি বলেন, এ বছর আমরা ভিন্নতর পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে পারছি না। তাই সব ধরনের কোচিং বন্ধ থাকবে। কারণ বিভিন্ন প্রকারের কোচিং সেন্টার রয়েছে, তারা পাবলিক পরীক্ষার সময় কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা অমান্য করে নানাভাবে কোচিং সেন্টার খোলা রাখার চেষ্টা করে থাকে। এ কারণে আমরা বাধ্য হয়ে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা জারি করছি।

জানা যায়, চলতি বছর ৮টি সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। তার মধ্যে সাধারণ ৮টি বোর্ডের অধীনে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে ৭৮ হাজার ৪৫১ জন ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। সারাদেশে মোট ৯ হাজার ৮১টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে, মোট ২ হাজার ৫৮০ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১ এপ্রিল তত্ত্বীয় পরীক্ষা শুরু হয়ে ১১ মে পর্যন্ত চলবে। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ মে থেকে শুরু হয়ে ২১ মে শেষ হবে। আগামী ১ এপ্রিল এইচএসসির বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র অনুষ্ঠিত হবে। ১১ মে পরিসংখ্যান (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা দিয়ে তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে। তত্ত্বীয় পরীক্ষা দুপুর ২টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে। প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ নম্বর বহুনির্বাচনী পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট ও তত্ত্বীয় পরীক্ষার জন্য আড়াই ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে গিয়ে আসন গ্রহণ করতে হবে। সকালের পরীক্ষা ১০টা থেকে বেলা ১টা ও বিকেলের পরীক্ষা দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেতর কোনো পরীক্ষার্থী মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিয়াউল হকসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিতি ছিলেন।


আবহাওয়া

সিলেট
29°

অ্যাপস

সামাজিক নেটওয়ার্ক

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি