সকাল ৭:৪৫,   শনিবার,   ১৪ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং,   ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ,   ১৫ই রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী
 

গোদাগাড়ীতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও নদী ভাঙন বেড়েছে

রিপোর্ট ডেস্ক:
রাজশাহীর গোদাগাড়ী পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। এতে করে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও নদীর তীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ইতিমধ্যে নিচু এলাকার বাড়িঘর, টমেটো, মাসকলাই, শাক-সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, বন্যায় উপজেলার বাসুদেবপুর ইউনিয়নের হাতনাবাদ, গোগ্রাম ইউনিয়নের আলীপুর, নিমতলা ও চরআষারিয়াদহ ইউনিয়নের হুমমন্ত নগর, চরনওশেরা, আমতলা খাসমহল, বারিনগরসহ ১২টি গ্রাম প্লবিত হয়েছে।

চরআষারিয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ বলেন, ‘শনিবার থেকে পদ্মা নদীর পানি কমতে শুরু করায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে।তবে চর বয়ারমারী এলাকায় প্রায় ১ কিলোমিটার নদীর তীর ভাঙছে। এর মধ্যে ৭৬টি বাড়ি ও ফসলী জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আর ভাঙনের মুখে থাকা দিয়াড় মানিক চক বোয়ালমালমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দুইশ বাড়িঘর যে কোন সময় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।’

এদিকে রবিবার সকাল ১০টার দিকে বন্যার্ত ও ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার এবং ঢেউটিনসহ নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৭৬টি পরিবারকে ২ বান্ডিল করে ঢেউটিন ও ছয় হাজার টাকা দেওয়া হয়। ২০০ বন্যার্তের মাঝে শুকনো খাবার তুলে দেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিমুল আকতার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক, সুফিয়া খাতুন মিলি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও ত্রাণ কর্মকর্তা আবু বাসির প্রমুখ।


আবহাওয়া

সিলেট
15°

অ্যাপস

সামাজিক নেটওয়ার্ক

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি