দুপুর ১২:৩৯,   মঙ্গলবার,   ২২শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং,   ৭ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ,   ২১শে সফর, ১৪৪১ হিজরী
 

পাচারের সময় ৪০টি টিয়া পাখি উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক:
পঞ্চগড়ে পাচার হওয়া সময় ৪০টি টিয়া পাখি উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে পঞ্চগড় শহরের চৌরঙ্গী মোড় এলাকায় বাংলাবান্ধা থেকে সিরাজগঞ্জগামী একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে দেশীয় প্রজাতির টিয়াপাখিগুলো উদ্ধার করে বন বিভাগের কর্মকর্তারা। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে পাখিগুলোকে অবমুক্ত করা হয়।

জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন পাখিগুলোকে অবমুক্ত করেন। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ গোলাম আজম, বন বিভাগের সদর উপজেলা বিট কর্মকতা আনোয়ারুল ইসলাম, বন বিভাগের রেঞ্জ সহকারী মধুসুদন বর্মন, পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সভাপতি সফিকুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

বনবিভাগ জানায়, পাখি পাচারকারী একটি চক্র তেঁতুলিয়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিশেষ ফাঁদ পেতে পাখি ধরে পাচার করছিল। বাংলাবান্ধা থেকে সিরাজগঞ্জগামী রয়েল এন্টারপ্রাইজ নামে একটি যাত্রীবাহী বাসে করে ওই টিয়াপাখিগুলোকে খাচাবন্দি করে নিয়ে যাওয়ার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পঞ্চগড় জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে বাসটি আটক করে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট পাচারকারীদের কাউকে আটক করতে পারেনি তারা। পরে পাখিগুলো পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে গেলে জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন পাখিগুলো অবমুক্ত করে দেন।

বন বিভাগের পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিট কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদ পেয়ে আমরা টিয়া পাখিগুলো উদ্ধার করতে সক্ষম হই। তেঁতুলিয়া উপজেলার তীরনইহাট ইউনিয়নের হুলাসুজোত গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে আব্দুল জব্বার ফাঁদ পেতে ওই দেশি প্রজাতির টিয়াপাখি শিকার করে এসব পাখি নাটোরের মজিবুল হক নামে এক পাচারকারীর কাছে বিক্রি করে বলে আমরা জেনেছি। জব্বারের বিরুদ্ধে এর আগেও পাখি শিকার ও পাচারের মামলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘এগুলো ছিল দেশি টিয়া পাখি। এ পাখিগুলোকে ঢাকায় পাচার করা হচ্ছিল। বন্যপ্রাণী আইনে পশু-পাখি শিকার, ধরা সম্পূর্ণ নিষেধ। বন্যেরা বনেই সুন্দর তাই তাদের অবমুক্ত করে দেয়া হয়েছে।’


আবহাওয়া

সিলেট
29°

অ্যাপস

সামাজিক নেটওয়ার্ক

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি