দুপুর ১:২৪,   মঙ্গলবার,   ২১শে মে, ২০১৯ ইং,   ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ,   ১৪ই রমযান, ১৪৪০ হিজরী
 

রাউজান বাগান ধসে পড়ছে সর্তার খালে

অনলাইন ডেস্ক:
রাউজানের উপরদিয়ে প্রবাহিত সর্তা খালের ভিতর প্রতি বছর তলিয়ে যাচ্ছে রাউজানের শত শত একর জমি। এই খালের অব্যাহত ভাঙনে পড়ে হলদিয়া রাবার বাগানটিও দিন দিন সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা জানায়, এমনিতেই হলদিয়া রাবার বাগানের বিরাট অংশ খালের ভিতর তলিয়ে গেছে, তার উপর বাগানের ভিতর জনবসতি গড়ে উঠায় বাগানটি দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে। স্থানীয়দের মতে গত কয়েক বছরে বাগানের শতাধিক একর টিলা ভুমি সর্তার খালের ভিতর তলিয়ে গেছে, ধসে যাওয়া স্থানের কিছুদূর ভিতরে (আলুর টিলা এলাকায়) সুবিধাভোগী কিছু লোক বিভিন্ন ধরনের ঘর নির্মাণ করে বাগানের সম্পত্তি গ্রাস করছে। জানা যায়, ফটিকছড়ি ও রাউজানের কতিপয় ব্যক্তি একটি সিন্ডিকেট করে বাগানের ভিতর মাজার সাজিয়ে স্থাপনা নির্মাণ করেছে। তারা বাগানের জায়গা ভোগদখল করছে। এই বিষয়টি নিয়ে কথা বললে হলদিয়া রাবার বাগানের ম্যানেজার এব্যাপারে কিছু জানেন না বলে জানায়। সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, হলদিয়ার খচ্ছারঘাটের পূর্ব পার্শ্বে থাকা রাবার বাগানের বিশাল একটি অংশ খালের মধ্যে ধসে পড়ছে। ধসের কারণে রাবার গাছ কেটে স্থানীয়রা নিয়ে যায় বলে এলাকার লোকজন জানিয়েছে। জানা যায় ভেঙে পড়া রাবার বাগানের পাহাড়টি এখন বালুর উৎস হয়ে আছে। এই অংশ থেকে খালের মাধ্যমে নেমে আসা বালু উঠিয়ে অনেকেই ব্যবসা করছে। এলাকার লোকজনের অভিযোগ এই বালু ব্যবসায়ীদের উৎপাতে খালের ভাঙ্গন আরো ত্বরান্বিত হচ্ছে। খাল থেকে উঠানো বালু ট্রাকে করে গ্রামীণ রাস্তা দিয়ে পরিবহনের কারণে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এলাকার লোকজন বলেছেন সর্তা খালের উৎপত্তি ভারতে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল থেকে। এটি পার্বত্য জেলা রাঙামাটির কাউখালী হয়ে ফটিকছড়ি ও রাউজানের উপর দিয়ে হালদা নদীতে মিশেছে।

এই খাল হয়ে প্রতি বছর বর্ষার পাহাড়ি পানি স্রোত নেমে আসে তীব্রগতিতে। গত প্রায় তিন বছর ধরে খালের স্রোতের পানির তীব্রতায় খালের দুপাড়ের বেড়ী বাধ ভেঙে সমগ্র রাউজানের যোগাযোগ অবকাঠামো তছনছ করে দিয়েছে। প্রতি বর্ষায় বাঁধ ভাঙা পানিতে সড়ক অবকাঠামো ধসে যায়। এসব সড়ক আবার উন্নয়ন করতে গেলে সরকারের কোটি কোটি টাকা খরচ হয়। এলাকার লোকজনের মতে রাউজানের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে স্থানীয় সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী গত দশ বছরে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। গত কয়েক বছর থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগে এলাকার বহু পাকা ব্রিজ কালবার্ট নড়বড়ে করে দিয়েছে।


আবহাওয়া

সিলেট
36°

অ্যাপস

সামাজিক নেটওয়ার্ক

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি