রাত ১০:৪২,   বুধবার,   ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং,   ৮ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ,   ২৩শে সফর, ১৪৪১ হিজরী
 

সমস্ত বড় টাকার নোট অচল করে দেয়া হোক

রিপোর্ট ডেস্ক:
লজ্জা, শরম, ঘৃণা এসব কি দেশ থেকে চিরতরে দূর হয়ে গেছে? নাকি দুর্নীতির ছোবলে দুর্নীতিবাজরা সব গ্রাস করে বেহায়া, বেশরম এবং বেপরোয়া হয়ে শয়তানে পরিণত হয়েছে?

মন্ত্রী, এমপি, সচিব এবং সমাজের উর্ধ্বতন কর্মীরা মানুষের চেহারায় মুখোশধারী শয়তানে পরিণত হয়ে দেশের গরিব মানুষের পেটে লাথি মেরে টাকার পাহাড় গড়ে তুলছে দিনের পর দিন।

সারাদেশের মানুষ অচল, অধম এবং অপার হয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে দেখছে, শুনছে কিন্তু প্রতিবাদ করছে না। কারণ কী? হতাশা? নাকি প্রতিবাদের শক্তি হারিয়ে ফেলছে? নাকি অন্যকিছু? যে সব কার্লপ্রিটদের নাম দিনের পর দিন বের হয়ে আসছে, দুই তিন সপ্তাহ আগেও তারা বড় বড় নীতির কথা বলেছে।

আজ তাদের চেহারায় শয়তানের কুৎসিত ছাপ পড়েছে। জীবনে শয়তান দেখিনি শুধু নাম শুনেছি। কল্পনায় তার একটি ছবি মনের মধ্যে ছিল তবে এত কুৎসিত সে ছবি হতে পারে তা জানা ছিলনা। দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের সুবাদে এবার জানতে পারলাম। রাশেদ খান মেনন এমপি, যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘ক্যাসিনো সম্পর্কে কিছুই জানতাম না।” অথচ তারা নিজেরাই জড়িত এ কাজে। এত বড় মিথ্যা কথা জনসমাজে? যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তারা দেশের শত্রু। একাত্তরে রাজাকাররা ছিল দেশের শত্রু। আজ যারা দেশের শত্রু অর্থাৎ দুর্নীতিবাজ তারাই রাজাকার। নব্য রাজাকার। এখনও আরো যেসব নাম না-জানা রাজাকার রয়েছে দেশে, তাদেরকেও খুঁজে বের করতে হবে এবং সবাইকে বিচারের কাঠগড়ায় হাজির করতে হবে। আমি শুনেছি দুই কোটি টাকা দুর্নীতির কারণে খালেদা জিয়া আজ কারাগারে।

তিনি যদি জেলের মধ্যে থেকে শাস্তি ভোগ করতে পারেন তাহলে বর্তমান যে সব কার্লপ্রিট ধরা পড়ছে, হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতিবাজরা, তাদেরকে কেন ধরে ধরে জেল হাজতে ঢুকানো হচ্ছে না? একটি জায়গায় (সমস্ত সচিবালয়ে) কেন হাত দিতে বিলম্ব হচ্ছে বুঝতে পারছিনা। সমস্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব থেকে শুরু করে সব উর্ধ্বতন কর্মচারীদের ব্যাংক ব্যালান্সসহ তারা কোথায় কী করেছে তাও দেশের জনগণকে জানানো হোক।

এরা তিলে তিলে দেশকে রসাতলে ঠেলে দিয়েছে এবং দিয়েই চলেছে। জনগণের রক্তে যাদের বেতন তারাও যদি দুর্নীতি করে তাহলে সে রক্ত ফেরত দিতে হবে কড়ায়-গণ্ডায়, সুদে মূলে। আমরা প্রবাসী বাংলাদেশিরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অর্থ রোজগার করি।

আমাদের অর্থ অসৎ পথে ব্যয় হবে তা আমরা মেনে নিতে পারিনা। দরকারে সমস্ত বড় টাকার নোট দুর্নীতির দায়ে অচল করে দেয়া হোক। কোনো রকমে যেন কালো টাকা সাদা করার উপায় না থাকে সে ব্যবস্থা করা আশু প্রয়োজন। আমরা জাতির পিতার কাছে চিরকৃতজ্ঞ কারণ তিনি ছিলেন স্বাধীনতার চেতনায় বলিয়ান। প্রধানমন্ত্রীর উচিত হবে তিনি তার বাবার নামের সঙ্গে নিজের নামটাও জাতির হৃদয়ে ধরে রাখতে সচেষ্ট হন।


আবহাওয়া

সিলেট
23°

অ্যাপস

সামাজিক নেটওয়ার্ক

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি