দুপুর ১২:২৯,   মঙ্গলবার,   ২১শে মে, ২০১৯ ইং,   ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ,   ১৪ই রমযান, ১৪৪০ হিজরী
 

সারাদেশে এক নিয়মে খতম তারাবিহ পড়ার আহ্বান

অনলাইন রিপোর্ট:
০৬ মে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে এ দিন সন্ধ্যা থেকেই শুরু হবে রহমতের বার্তাবাহী বরকতময় মাস রমজান। পড়া হবে রাতের নামাজ তারাবিহ।

দেশব্যাপী যেসব মসজিদে খতমে তারাবিহ (তারাবিহ নামাজে পুরো কুরআন তেলাওয়াত) হবে, সেসব মসজিদে একই নিয়মে তারাবিহ পড়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ নিজাম উদ্দিন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এ আহ্বান জানান। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আহ্বানটি তুলে ধরা হলো-

সারাদেশে সকল মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতম তারাবিহ পড়ার আহ্বান

পবিত্র রমজান মাসে খতম তারাবিহ পড়ার সময় সারাদেশে সকল মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

পবিত্র রমজান মাসে দেশের প্রায় সকল মসজিদে খতম তারাবিহতে পবিত্র কুরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তেলাওয়াত করার রেওয়াজ চালু আছে।

তবে কোনো কোনো মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে কর্ম উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী মুসল্লিদের পক্ষে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না।

এ অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মাঝে একটি মানসিক অতৃপ্তি ও অতুষ্টি অনুভূত হয়। কুরআন খতমের পূর্ণ সাওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন।

এ পরিস্থিতি নিরসনকল্পে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ৬ দিন দেড় পারা হিসেবে ৯ পারা এবং পরবর্তী (৭ম দিন থেকে ২৭তম দিন) ২১ দিনে ১ পারা হিসেবে ২১ পারা তেলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে অর্থাৎ পবিত্র লাইলাতুল কদরে কুরআন খতম করা সম্ভবপর হবে।

এর আগে দেশবরেণ্য আলেম-ওলামা ও খতিব-ইমামদের সাথে আলোচনা হলে তারাও এ পদ্ধতিতে খতম তারাবিহ আদায়ের পক্ষে বিজ্ঞ অভিমত দিয়েছিলেন এবং সে মোতাবেক অধিকাংশ মসজিদে এ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।

এমতাবস্থায়, পবিত্র রমজান মাসে দেশের সকল মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতম তারাবিহ আদায় অর্থাৎ প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে এবং পরবর্তী ২১ দিনে প্রতিদিন ১ পারা করে তেলাওয়াতের মাধ্যমে পবিত্র লাইলাতুল কদরে কুরআন খতমের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষে থেকে মসজিদের খতিব-ইমাম, মসজিদ কমিটি, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এবং সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এ আহ্বান দেশের সব ধর্মপ্রাণ মুসলমানের জন্য কুরআন খতমের মাধ্যমে তারাবিহ পড়ার জন্য বিশেষ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

এ পদ্ধতি অনুসরণ করলে যে কোনো মসজিদে নামাজ আদায় করলেই কুরআন খতমের মাধ্যমে তারাবিহ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। আত্মতৃপ্তি ও সাওয়াব লাভ করবে নিয়মিত তারাবিহ আদায়কারী মুমিন মুসলমান।


আবহাওয়া

সিলেট
36°

অ্যাপস

সামাজিক নেটওয়ার্ক

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি