সকাল ৮:১২,   রবিবার,   ৮ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং,   ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ,   ৯ই রবিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী
 

স্টেশনে বসে ট্রেনের জন্য অপেক্ষার পালা আর শেষ হয় না

রিপোর্ট ডেস্ক:
ঈদযাত্রার তৃতীয় দিনেও ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হচ্ছে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ঈদে বাড়িমুখী যাত্রীরা।

শুক্রবার ভোর ছয়টায় রাজশাহীগামী ধুমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেন ছাড়ার নির্ধারিত সময়। কিন্তু ট্রেনটি কমলাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছার সম্ভাব্য সময় দেওয়া হয়েছে সকাল নয়টায়। ছাড়ার সম্ভাব্য সময় সকাল সাড়ে ১০টা।

শুধু ধুমকেতুই নয়, আজ শুক্রবার প্রায় সব ট্রেনেই ছাড়তে বিলম্ব করছে। রংপুর এক্সপ্রেস, নীলসাগর এক্সপ্রেস, সুন্দরবন এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলকারী ট্রেন ছাড়তে ঘণ্টা তিনেক বিলম্ব করছে।

খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ছেড়ে যাওয়ার সময় সকাল ছয়টা ২০ মিনিট। কিন্তু ট্রেনটি সকাল পৌনে সাতটা পর্যন্ত কমলাপুর ছেড়ে যায়নি।

ফলে ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষ স্টেশনে বসেই অপেক্ষার প্রহর গুনছে। এতে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে।যাত্রীরা বলছেন, ট্রেনের বিলম্ব এখন স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হয়েছে। এর অবসান না হলে মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই।

তবে রেল কর্মকর্তারা বলছেন, ঈদযাত্রায় প্রচুর যাত্রীর কারণেই ট্রেনের শিডিউলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। তাছাড়া প্রতি স্টেশনে যাত্রী উঠা-নামা করতে অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে সময় বেশি লাগছে।

ধুমকেতু এক্সপ্রেসের যাত্রী সেলিম জানান, ভোর পাঁচটায় বাসা থেকে বের হয়ে কমলাপুর এসেছি। স্টেশনে এসে শুনি ট্রেন পাঁচ ঘণ্টা দেরিতে ছাড়বে। কি আর করা অপেক্ষা করছি।

কমলাপুর স্টেশনের ম্যানেজার মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, ঈদে অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে ট্রেন ছাড়তে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে আমাদের চেষ্টা কোনও ত্রুটি নেই। আমরা চেষ্টা করছি যথাসময়ে ট্রেন ছাড়ার।

এদিকে আজ ভোর থেকেই কমলাপুর ও বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের স্রোত নেমেছে। দুটি স্টেশনেই যাত্রীর জন্য পা ফেলার জায়গা নেই।


আবহাওয়া

সিলেট
20°

অ্যাপস

সামাজিক নেটওয়ার্ক

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি