[ad_1]
দিল্লির মালব্য নগর থানা এলাকা থেকে বর্ণবাদী মন্তব্যের একটি ঘটনা সামনে এসেছে। আর এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অরুণাচল প্রদেশে বসবাসকারী ভুক্তভোগী মহিলারা পুলিশে একটি অভিযোগ করেছিলেন, তারপরে পুলিশ অভিযুক্ত দম্পতির বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা দায়ের করে এবং তদন্ত শুরু করে। এই পুরো বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত হর্ষ বলেন, সবকিছুকে একতরফাভাবে অতিরঞ্জিত করা হচ্ছে, যদিও তা নয়। যাইহোক, আমি এবং আমার স্ত্রী রাগ করে কিছু কথা বলেছি যা ভুল ছিল এবং আমি তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, মিডিয়া ট্রায়াল হচ্ছে, কিন্তু আমার দেশের পুলিশ ও বিচার ব্যবস্থার ওপর আমার আস্থা আছে।
পুরো বিষয়টি সম্পর্কে তথ্য দিতে গিয়ে অভিযুক্ত হর্ষ বলেছেন, পুরো বিষয়টি যা বলা হচ্ছে তা নয়। এর মধ্যে এমন অনেক কিছু আছে যেমন শুধু ধুলো পড়েনি, আমাদের এসি-তে বড় বড় পাথর পড়েছিল এবং যেখানে পাথর পড়েছিল সেখান থেকে যাওয়ার পথ রয়েছে। তাই আমি উপরে গেলাম এবং যে ব্যক্তি এটি ভাঙছে তাকে বললাম। তখন মেয়েটি এসে আমাদের গালিগালাজ করতে থাকে। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যে থানায় অভিযোগ দিয়েছি। পুলিশও আসে এবং এ সময় এসব ঘটনা ঘটে। তবে আমরা রাগের মাথায় অনেক কিছু বলেছি যার জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। আমাদের সেরকম কোনো উদ্দেশ্য ছিল না, যা হয়েছে তা রাগ থেকেই হয়েছে।
হর্ষ বলেন- এই সময়ে ওই লোকেরা আমাদের অনেক ভালো-মন্দ কথাও বলেছে। একতরফা গল্প দেখিয়ে মিডিয়া ট্রায়াল করা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের টার্গেট করা হচ্ছে। আমাদের পরিবারের সদস্যদের নগ্ন ছবি লাগিয়ে ভাইরাল করা হচ্ছে। আমাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং গত ৩-৪ দিন ধরে আমরা অনেক কষ্টে আছি। উত্তর-পূর্বের মানুষকে অপমান করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।
তিনি বলেন- আমরা উত্তর পূর্বের সমর্থনে রয়েছি এবং এর জন্য আমরা উত্তর পূর্বের সকল মানুষের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। তবে এই পুরো বিষয়টিতে আমাদেরও শোনা উচিত, একপক্ষের কথা শুনে রায় দেওয়া উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, এদেশে বিচার বিভাগ আছে, পুলিশ আছে, আইন আছে এবং বিচার ও আইনের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। পুরো বিষয়টি জানাজানি হলে এবং তদন্ত করলেই সত্য বেরিয়ে আসবে।
—- শেষ —-
[ad_2]
Source link