[ad_1]
উত্তরপ্রদেশের ইটাওয়া থেকে এক লজ্জাজনক ঘটনা সামনে এসেছে। এখানে এক নারী ও তার প্রেমিকাকে জিম্মি করে তাদের পরিবারের সদস্যরা। এরপর তাদের নির্মমভাবে মারধর করা হয়, উভয়ের মুখ কালো করে এবং তাদের গ্রামের চারপাশে কুচকাওয়াজ করার চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী ও শ্যালকসহ সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি বৈদপুরা থানার বড়রা গ্রামের। ওই নারী তিন সন্তানের জননী এবং গত পাঁচ বছর ধরে তার খালার ফুফুর ছেলের সঙ্গে পরকীয়া চলছিল। গতকাল রাত ১টার দিকে ওই নারীর প্রেমিকা তাকে সঙ্গে নিতে গ্রামে পৌঁছায়।
এসময় পরিবার ও গ্রামের লোকজন দুজনকে ধরে ফেলে। এরপর তাদের দুজনকে জিম্মি করে রাতভর মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। নারী ও তার প্রেমিকের মুখ কালো করে প্রকাশ্যে অপমান করা হয়।
সকাল নাগাদ দুজনকেই গ্রামে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি ছিল। এসময় এক গ্রামবাসী পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে খবর নেয়।
মহিলার শ্বশুর বলেছেন যে তার পুত্রবধূর সাথে পরকীয়া চলছিল এবং যুবক রাতে তাকে নিতে এসেছিল, তখন গ্রামবাসীরা তাদের দুজনকে ধরে ফেলে। প্রতিবেশী জানান, তাদের দুজনকেই মারধর করে মুখ কালো করে দেওয়া হয়।
এছাড়াও পড়ুন: সাড়ে তিন বছর আগে প্রেমের বিয়ে, পুরনো প্রেমিকের সঙ্গে হোটেলে পৌঁছেছিলেন স্ত্রী… ৩০২ নম্বর কক্ষে হাতেনাতে ধরা পড়েন স্বামী!
প্রতিবেশী জানান, তাদের দুজনকে ধরে নিয়ে রাতভর মারধর করা হয় এবং মুখ কালো করা হয়। সকালে পুরো গ্রামে তাদের নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, তাই গ্রামের কেউ পুলিশকে ফোন করেছিল। এরপর তার বাড়ির লোকজনকে আটক করে পুলিশ।

প্রেমিকার শ্যালকের অভিযোগ, আমার শ্যালককে ফোন করে ডেকে আনা হয়। এরপর তাকে ঘরে আটকে রেখে মারধর ও বেঁধে রাখা হয়। শ্যালক ও সেই মহিলার মুখও কালো করে গ্রামে কুচকাওয়াজ করা হয়। জুতা মালা ঘোরানোর কথাও আছে।
থানার হেড নগেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, নির্যাতিতা মহিলা এবং তার খালার ছেলেকে গ্রামের মহিলার শ্যালক এবং তার স্বামী সহ পরিবারের সদস্যরা মারধর করে এবং তাদের মুখ কালো করে দেয়। আর কোনো ঘটনা ঘটার আগেই পুলিশ খবর পেয়ে যায়। সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ। ওই নারীর বক্তব্য, গত পাঁচ বছর ধরে তার প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছে। তার তিনটি সন্তানও রয়েছে। ভিকটিমদের অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পুরো বিষয়টির তদন্ত চলছে এবং অন্যান্য দিকও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
—- শেষ —-
[ad_2]
Source link