[ad_1]
ইরান ও আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। চীনের প্রচেষ্টার পর পাকিস্তান মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতি স্থাপন করেছে। এটি পাকিস্তানের জন্য একটি বড় বিষয়, যা আন্তর্জাতিক মঞ্চে সর্বদা বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে এবং এটিকে তার সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে উপস্থাপন করছে।
এখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ তিনি এটিকে তার দেশের জন্য একটি বড় অর্জন বলেছেন এবং বলেছেন যে পাকিস্তান এখন চিরতরে বদলে গেছে। শেহবাজ শরীফ বলেছেন, 'পাকিস্তান চিরতরে বদলে গেছে… আমি আপনাদের বলছি… করাচি থেকে পেশোয়ার, পাকিস্তান বদলে গেছে। বিশ্ব আমাদেরকে সম্মানের চোখে দেখছে।
তিনি আরও বলেন, 'এই সম্মান কোনো একটি সরকারের নয়, সমগ্র জনগোষ্ঠীর, একজন সাধারণ মানুষের, একজন কৃষক, একজন শ্রমিক, একজন দোকানদার, কর্মকর্তা, এতিম, বিধবা… সবার সম্মান।'
যুদ্ধবিরতি হয়েছে কিন্তু লঙ্ঘনের খবর আসছে
ইরান ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়েছে, কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর তা লঙ্ঘনের খবরও আসতে শুরু করেছে। কুয়েত, লেবানন ও ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। ইসরাইল লেবাননে দ্রুত হামলা চালাচ্ছে, এতে ইরান ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। সূত্রের বরাত দিয়ে ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিম দাবি করেছে, লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বন্ধ না হলে তারা বর্তমান যুদ্ধবিরতি থেকে সরে আসবে।
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য পাকিস্তানের সেনাপ্রধানকে তিরস্কার করেছে ইরান অসীম মুনির ফোন করে অভিযোগ করেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মুনিরের সঙ্গে ফোনালাপের সময় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পাকিস্তান সরকারের পাশাপাশি তার সেনাবাহিনীও যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টায় জড়িত ছিল।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, আরাগচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান মুনিরের সঙ্গে তার আলোচনায় ইরান ও লেবাননে ইসরায়েলি হামলার বিষয়টি তুলে ধরেন।
এরপর শাহবাজ শরীফ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি টুইট করেছেন যাতে তিনি লিখেছেন, 'সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের কিছু জায়গায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের খবর পাওয়া গেছে। এগুলো শান্তি প্রক্রিয়ার চেতনাকে দুর্বল করে। আমি সব পক্ষকে সংযম ব্যবহার করার এবং যুদ্ধবিরতির প্রতি সম্মত হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি, যাতে কূটনীতি এগিয়ে যেতে পারে।
—- শেষ —-
[ad_2]
Source link