[ad_1]
সোনারপুরে টিএমসির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তোলপাড়। এবার এই বিষয়ে প্রকাশ্যে এল বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথের প্রতিক্রিয়া। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলাকে তিনি 'তার কর্মের ফল' বলে বর্ণনা করেছেন।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার পর মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলছেন বিজেপি বিধায়ক ও আরজি কর ধর্ষণের শিকারের মা। রত্না দেবনাথ প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এমনকি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে যারা ডিম ছুড়েছে তাদেরও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
রত্না দেবনাথ বলেন, প্রত্যেককে তাদের কৃতকর্মের ফল ভোগ করতে হয়। যদি তৃণমূল কংগ্রেস এবার যদি আমরা জিততাম, তাহলে কি তারা আমাদের বাঙালি হয়ে বাঁচতে দিত? তাহলে এ রাজ্যে রক্তপাতের কোনো শেষ থাকবে না।
অভিষেক ব্যানার্জি হামলা প্রসঙ্গে রত্না দেবনাথ বলেন, 'আমি সোনারপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যে তারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়ার এবং তাদের (ডিম ছুড়ে) সিল্কি করার উদ্যোগ নিয়েছিল।'
'নবান্নের ডায়মন্ড কুইনকে ক্ষমতা থেকে নামাতে হবে…'
রত্না দেবনাথ মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এবং ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর নিজের ব্যক্তিগত বেদনা ও ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এই দুই খালা-ভাতিজা তার সব কিছু ছিনিয়ে নিয়েছে।
মেয়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, 'আমার মেয়ের আত্মা কতটা শান্তি পাবে জানি না, কারণ আমার মেয়ের কোনো স্বপ্নই পূরণ হয়নি। কিন্তু আমি নবান্নের ডায়মন্ড কুইনকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) ক্ষমতা থেকে নামিয়ে আনতে পেরেছি এ থেকে কিছুটা স্বস্তি পাই। আমি আস্তে আস্তে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম যে আমি বলেছিলাম যে আমি তার চুল ধরে তাকে নামিয়ে আনব।
'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই সত্য গোপন করা হয়েছিল'
তিনি তৎকালীন ব্যবস্থা ও পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ করেন। দেবনাথ বলেছিলেন যে তাঁর মেয়েকে যখন নির্যাতন করা হয়েছিল তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন এবং তিনি সর্বদা অপরাধীদের আড়াল করার জন্য কাজ করেছেন।
তিনি বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই বলেছিলেন যে রাত ২টা পর্যন্ত তিনি তৎকালীন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের সঙ্গে মিনিট মিনিট কথা বলেছেন। আমাদের তখনকার পানিহাটি টিএমসি বিধায়ক নির্মল ঘোষ, প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখার্জি এবং বর্তমান চেয়ারম্যান সোমনাথ দে আমার মেয়ের মৃতদেহও রাখতে দেননি। লাশ বাড়িতে আর বাবা-মা দরবারে বসে থাকতে দেখা যেত না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই এসব হয়েছে।
এছাড়াও পড়ুন: বাংলায় তৃণমূলের পরাজয়ের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সবচেয়ে বড় ভিলেন! কারণটা জেনে নিন
সবশেষে রত্না দেবনাথ বলেন, সবাইকে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। তার মেয়ে বা তার পরিবার কোনো অন্যায় করেনি। তিনি ন্যায়ের পথে দাঁড়াবেন এবং এই সম্পূর্ণ দুর্নীতিকে সামনে আনবেন।
(ইনপুট- দীপক দেবনাথ)
—- শেষ —-
[ad_2]
Source link