ওয়াশিমে হৃদয় বিদারক ঘটনা: বৈদ্যুতিক টাওয়ারে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে এক ব্যক্তির, স্ত্রী ও দুই নিষ্পাপ শিশুর লাশ পাওয়া গেছে কুয়া থেকে – ওয়াশিম পুরুষের বৈদ্যুতিক টাওয়ারে ঝুলন্ত অবস্থায় স্ত্রী ও দুই সন্তানের লাশ পাওয়া গেছে lcla.

[ad_1]

মহারাষ্ট্রের ওয়াশিম জেলা থেকে একটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং রহস্যজনক ঘটনা সামনে এসেছে। জেলার মালেগাঁও তহসিলের তিভালি গ্রামে একই পরিবারের চার সদস্যের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। মাঠে নির্মিত বৈদ্যুতিক টাওয়ার থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির লাশ পাওয়া গেছে, কিছু দূরে একটি কুয়া থেকে তার স্ত্রী ও দুই নিষ্পাপ শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পরই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

মৃত ব্যক্তির নাম 35 বছর বয়সী সন্তোষ তুকারাম বাকাল, যিনি টিভালি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় গ্রামবাসীরা মাঠে তৈরি বৈদ্যুতিক টাওয়ারের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির মৃতদেহ দেখতে পান। এদিকে টাওয়ার থেকে কিছু দূরে অবস্থিত একটি কূপে এক নারী ও দুই শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখা গেছে।

ঘটনার খবর তাৎক্ষণিকভাবে শিরপুর থানা পুলিশকে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজ খবর নেয়। গ্রামবাসীর সহায়তায় খাটের সাহায্যে ওই নারী ও দুই শিশুর মরদেহ কুয়া থেকে বের করা হয়। পরে তারা সন্তোষ বকালের স্ত্রী ও তার দুই সন্তান বলে শনাক্ত করা হয়।

একই পরিবারের চারজনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক গ্রামবাসী জড়ো হন। পুলিশ পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পঞ্চনামা চালায় এবং সমস্ত মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মালেগাঁও সরকারি হাসপাতালে পাঠায়।

শিরপুরের উপ-পরিদর্শক ইমরান পাঠান জানান, বিকেল ৪টার দিকে গ্রাম পুলিশ পাতিল জানায় যে একজন ব্যক্তি বিদ্যুতের টাওয়ারে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। এছাড়া পাশের কুয়ায় তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের লাশও রয়েছে।

এছাড়াও পড়ুন: প্রেমিকের সঙ্গে মাকে ধরেছে মেয়ে, হুমকিতে ভেঙে পড়েছে সংসার, এমপি গণ আত্মহত্যার ঘটনায় পুলিশ প্রকাশ করেছে

পুলিশের ভাষ্যমতে, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি একটি গণ আত্মহত্যার ঘটনা, তবে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো খুব তাড়াতাড়ি। পুলিশ সব দিক থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। কী পরিস্থিতিতে পরিবার এই পদক্ষেপ নিয়েছে বা এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তারা বলছেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও ফরেনসিক তদন্তের পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্টভাবে জানা যাবে। বর্তমানে পুলিশ মামলা নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করেছে। একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু ওয়াশিম কেঁপে উঠেছে জেলা। এ ঘটনার পেছনের কারণ জানতে গ্রামে শোকের মাতম এবং লোকজনের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা।

—- শেষ —-

[ad_2]

Source link

Leave a Comment