বাংলাদেশে ভোটের আগে এই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে, বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ – bangladesh Election Bipolar Contest Turns Violent BNP Jamaat Clash Patuakhali mdsb ntc

[ad_1]

বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এদিকে ভোটের প্রায় ৭২ ঘণ্টা আগে পটুয়াখালী এলাকায় ব্যাপক সহিংসতা হয়েছে। সোমবার মধ্যরাতে ভান্ডারিয়া বাজারে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের মধ্যে সহিংস সংঘর্ষ হয়, এতে নারীসহ ৪০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়।

বিএনপি কর্মীরা প্রতিবাদ করলে এবং জামায়াতের বিরুদ্ধে জনগণের মধ্যে অর্থ বিতরণের অভিযোগ করলে সহিংসতা শুরু হয়। জবাবে জামায়াতে ইসলামীও তাদের কর্মী জড়ো করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

গত দেড় মাসে বাংলাদেশ নির্বাচনী সহিংসতায় ৫০ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে এটাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সহিংস সংঘর্ষ বলে মনে করা হচ্ছে। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় শেষ হবে নির্বাচনী প্রচারণা। এবারের নির্বাচনকে মূলত বিএনপি ও জামায়াতের দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

টাকা বিতরণের অভিযোগ…

পটুয়াখালীর ভান্ডারিয়া বাজারে জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মসূচি চলাকালে উপস্থিত লোকজনকে টাকা দেওয়া হচ্ছে বলে জানাজানি হলে উত্তেজনা বেড়ে যায়। এটাকে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন আখ্যা দিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন বিএনপি কর্মীরা। বিএনপি নেতাকর্মীরা অভিযোগ জানাতে এলে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল কথা কাটাকাটি হয়, যা কিছুক্ষণের মধ্যেই পাথর ছুড়ে ও লাঠিচার্জে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

এছাড়াও পড়ুন: ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্তে সহায়তা চেয়েছে জাতিসংঘের কাছে বাংলাদেশ।

প্রচার শেষ হওয়ার আগেই 'বাইপোলার' লড়াই হিংসাত্মক হয়ে ওঠে

বাংলাদেশের এই নির্বাচনকে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। প্রচার শেষ হওয়ার আগে গত ২৪ ঘণ্টায় সংঘটিত এই সহিংসতা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। আহতদের মধ্যে অনেক মহিলাও রয়েছেন, যাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, গত কয়েক সপ্তাহে বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটলেও পটুয়াখালীর এ ঘটনা নির্বাচনী পরিবেশকে চরম উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।

এছাড়াও পড়ুন: শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ হিন্দু নেতা বাংলাদেশে হেফাজতে মারা গেলেন, হেফাজতে মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

12ই ফেব্রুয়ারি ভোট

10 ফেব্রুয়ারি সকালে নির্বাচনী প্রচার আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে, যার আগে উভয় দল তাদের সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করছে। পটুয়াখালীসহ স্পর্শকাতর এলাকায় বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করেছে নির্বাচন কমিশন ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। নির্বাচন কর্মকর্তারা বলছেন যে 12 ফেব্রুয়ারি শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, কারণ দুটি প্রধান দলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন সহিংস মোড় নিয়েছে।

—- শেষ —-

[ad_2]

Source link