প্রতিবেশী ভাবী যুবককে হানি ট্র্যাপে আটকে বিলাসপুরে ছেলে ও মেয়ের শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও রেকর্ড করেছে

[ad_1]

ছত্তিশগড়ের বিলাসপুর জেলায় মধু ফাঁদের চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। এখানে এক মহিলা তার ছেলের জন্মদিনের পার্টির অজুহাতে এক যুবককে বাড়িতে ডেকে ফাঁদে ফেলে অশ্লীল ভিডিও তৈরি করে। পরে ভিডিওটির স্ক্রিনশট পাঠিয়ে ওই যুবকের কাছ থেকে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় এবং টাকা না দিলে ভিডিওটি ভাইরাল করার হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি পাচপেডি থানা এলাকার, যেখানে নির্যাতিতা যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

কেন আমাকে মধুর ফাঁদে ফেলল 'বৌমা'?
পুলিশ সূত্রে খবর, কেনভাতারা আবাসপাড়ার বাসিন্দা নোহর কুমার সূর্যবংশী (৩৩) ট্রাক্টর চালকের কাজ করেন। তার পরিচয় হয় পাশের গ্রামে বসবাসকারী এক মহিলার সঙ্গে। ১লা ফেব্রুয়ারি তার ছেলের জন্মদিন বলে ওই যুবককে বাড়িতে ডেকে নেন ওই মহিলা। ওই যুবক যখন সেখানে পৌঁছায় তখন ওই বাড়িতে আগে থেকেই অন্য এক মহিলা উপস্থিত ছিলেন।

বলা হচ্ছে, অভিযুক্ত মহিলা ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন। যুবক এবং অন্য মহিলাকে একটি কক্ষে পাঠানো হয়েছিল, যেখানে দুজনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছিল। এ সময় কক্ষে লুকিয়ে রাখা মোবাইল ফোনটি চালু করে পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়।

ওই যুবকের কাছ থেকে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়।

পরিষ্কার চাদর এবং পর্দা ছিল
তথ্য অনুযায়ী, ঘরে পর্দা টানা হয়েছিল এবং বিছানায় একটি পরিষ্কার চাদর বিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যাতে যুবক এবং মহিলা ঘরে আরামে সময় কাটাতে পারে। দুজনে স্বস্তি ও সম্পর্ক স্থাপনের সাথে সাথে গোপন মোবাইল থেকে পুরো ঘটনাটি রেকর্ড করা হয়। পরে ভিডিও থেকে একটি ছবি তুলে ওই যুবকের কাছে পাঠানো হয় এবং তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। এছাড়া টাকা না দিলে পুরো ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করার হুমকিও দেওয়া হয়।

পুলিশ অনেক বিষয়ে তদন্ত করছে
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে এই মামলায় জড়িতরা খুবই সাধারণ অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে এসেছেন। ভুক্তভোগী যুবক একজন ট্রাক্টর চালক এবং সীমিত আয়ে জীবনযাপন করেন। একই সঙ্গে, যে মহিলার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল তার আর্থিক অবস্থাও খুব একটা মজবুত নয় বলে জানা গেছে। তা সত্ত্বেও অভিযুক্ত মহিলা মধু ফাঁদ দিয়ে মোটা অঙ্কের চাঁদাবাজির পরিকল্পনা করেছিলেন।

পাচপেডি থানার ইনচার্জ রাজ সিং জানিয়েছেন, যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আর কারা জড়িত তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মোবাইল ও অন্যান্য ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ জনগণকে কোনো প্রকার লোভ বা প্রতারণা এড়াতে এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে অবিলম্বে পুলিশকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করেছে।

—- শেষ —-

[ad_2]

Source link