হত্যাকারী ফল নাকি কোনো গভীর ষড়যন্ত্র… মুম্বাই তরমুজ মামলায় পুলিশ ভেষজ বোতল খুঁজে পেলেও ফলের মধ্যে ইঁদুরের বিষ পাওয়া গেছে – মুম্বাই তরমুজ মৃত্যুর ঘটনা নতুন টুইস্ট জিংক ফসফাইডের উৎস রহস্য আপডেট lcln

[ad_1]

দক্ষিণ মুম্বইয়ের ডোকাদিয়া পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের তদন্ত এখন 'মৃত পরিণতির' দিকে এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (এফএসএল) স্পষ্ট করেছে যে তরমুজে উপস্থিত জিঙ্ক ফসফাইড অর্থাৎ ইঁদুরের বিষের কারণে মৃত্যু হয়েছে, কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল এই বিষ তরমুজে কীভাবে পৌঁছল?

সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, পাইধুনির ডোকাদিয়া পরিবারের বাড়িতে তল্লাশির সময় পুলিশ ইঁদুর তাড়াতে ভেষজ ওষুধের বোতল পায়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই ভেষজ বোতলে 'জিঙ্ক ফসফাইড' নেই। বাড়িতে রাখা ওষুধ যদি হার্বাল হয়, তাহলে মৃতের ফল ও ভিসারায় ইঁদুর মারার রাসায়নিক এল কোথা থেকে?

এ ব্যাপারে পুলিশ এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। পরিবারের বড় কোনো ঋণ ছিল না। তার একটি পৈতৃক দোকান ছিল, যেখান থেকে তার বাড়ির খরচ এবং চাউলের ​​ভাড়া মেটাত। হত্যা বা বড় কোনো ষড়যন্ত্রের কোনো প্রমাণ এখনো পায়নি পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি বা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শত্রুতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

পুরো ঘটনা জেনে নিন
গত ২৬ এপ্রিল রাতে আব্দুল দোকাদিয়া (৪৪), স্ত্রী নাসরিন (৩৫) ও দুই মেয়ে আয়েশা (১৬) ও জয়নব (১৩) মুরগির পুলাও খেয়ে তরমুজ খেয়েছিলেন। রাতেই খাবারে বিষক্রিয়ার অভিযোগ করেন, চিকিৎসক তাকে ওষুধ দেন কিন্তু তার অবস্থা খারাপ হতে থাকে। হাসপাতালে নেওয়া হলে এক মেয়েকে মৃত ঘোষণা করা হয়, বাকি তিনজন জেজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

FSL রিপোর্ট কি বলছে?
পুলিশের কাছে জমা দেওয়া রিপোর্টে এফএসএল স্পষ্ট করেছে যে মৃত ব্যক্তির লিভার, কিডনি ও প্লীহায় জিঙ্ক ফসফাইড পাওয়া গেছে। বাকি তরমুজের টুকরোগুলোতেও একই রাসায়নিক থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। মুরগির পুলাও বা অন্য কোনো খাবারে বিষ পাওয়া যায়নি।

পুলিশ এখন কি করবে?
মুম্বাই এ ব্যাপারে পুলিশ এখন আবার ফরেনসিক চিকিৎসকদের পরামর্শ নেবে। তরমুজ কেনার সময় বা বাজারে খোদ তরমুজে বিষ পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল কি না, বা অন্য কোনো উপায়ে অসাবধানতাবশত এই রাসায়নিক ঘরের খাবারে মেশানো হয়েছে কিনা সেদিকেই তদন্ত শুরু হয়েছে।

—- শেষ —-

[ad_2]

Source link

Leave a Comment