নদীতে ভাসমান দুটি স্যুটকেস পাওয়া গেছে, ভিতরে বিকৃত এবং পচনশীল মৃতদেহ ভর্তি ছিল, সনাক্ত করা কঠিন – কাইমুর ভয়াবহ ঘটনা নদীতীরে স্যুটকেসে দুটি বিচ্ছিন্ন দেহের অংশ পাওয়া গেছে lcltm

[ad_1]

বিহারের কাইমুর জেলায় অপরাধীরা এমন ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটিয়েছে, যা পুরো এলাকাকে হতবাক করেছে। রবিবার সকালে রামগড় থানা এলাকার চৌরাসিয়া সেতুর নীচে দুর্গাবতী নদীর তীরে দুটি দাবিহীন স্যুটকেস পাওয়া গেলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীরা যখন স্যুটকেসের কাছে যায়, তারা দেখতে পায় সেগুলি মানব দেহের ছিন্ন অংশে ভরা। এই ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখে লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

স্যুটকেস নদীতে ভাসতে দেখা যায়

স্থানীয় লোকজন জানায়, সকালে নদীর তীরে তীব্র গন্ধ পেয়ে কয়েকজন গ্রামবাসী সেখানে পৌঁছায়। তিনি দুটি সন্দেহজনক স্যুটকেস দেখতে পান। সন্দেহ হওয়ায় স্যুটকেসগুলো খুলে ভেতরে শরীরের বিভিন্ন অংশ পাওয়া যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মরদেহগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ এবং সেগুলো অনেকাংশে পচে গেছে। নিহতদের মধ্যে একজন শিশু ও একজন প্রাপ্তবয়স্ক থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ঘটনার খবর পেয়ে রামগড় থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা ঘিরে ফেলে। ঘটনার গুরুত্ব দেখে ঘটনাস্থলে পৌঁছেন কৈমুরের পুলিশ সুপার হরমোহন শুক্লাও। তার নির্দেশে তদন্তে ফরেনসিক দল ও ফটোগ্রাফি ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ নদী থেকে স্যুটকেস দুটি উদ্ধার করেছে।

পচা হাত, পা এবং ধড়

এসপি হরমোহন শুক্লা জানিয়েছেন যে গ্রামবাসীরা নদীতে কিছু দেহের অংশ ভাসতে দেখেছিল। তদন্তকালে স্যুটকেস থেকে হাত, পা ও ধড়ের মতো শরীরের অনেক অংশ পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, মৃতদেহগুলো অনেক পুরনো এবং পচনশীল অবস্থায় রয়েছে, তাই শনাক্ত করা একটি চ্যালেঞ্জ। বর্তমানে জেলার কোনো থানায় এ ধরনের নিখোঁজদের নিবন্ধন নেই।

পুলিশ সন্দেহ করছে অন্য কোনো স্থানে হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে এবং পরে আলামত নষ্ট করার উদ্দেশ্যে লাশগুলো টুকরো টুকরো করে স্যুটকেসে ভরে নদীর তীরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আশেপাশের জেলাগুলোকেও সতর্ক করা হয়েছে যাতে মৃতদের শনাক্ত করা যায়। পুলিশ পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এবং ফরেনসিক তদন্তের জন্য অপেক্ষা করছে, যা হত্যার রহস্য সমাধানে সাহায্য করতে পারে।

—- শেষ —-

[ad_2]

Source link

Leave a Comment